Monday, July 16, 2018

যখন মে, তুমি পল্লীর ঘরে ঘরে

মনের সাথে লড়ি

ভালবাসার সাগরে কত ঢেউ অাছড়ে পরে
ভেসে যাই পদ্ম হয়ে, ঢেউয়ের তালে তালে
লোকেরা বলে মানিয়েছে বেশ,
বন্ধুদের চোখে হিংসার রেশ,
বাবা-মা ভাবে সুখী হবে ঠায়, জীবন সঙ্গী যে।

মন তবু কোথা যেন পরে আছে চেয়ে
চাঁদের পানে মুখ হাসে, পথিকের চোখে অাকুতি
ঢেউয়ের টানে দেহ দোলে, মন যে পাথর মূর্তি।
অাঘাতে আঘাতে ক্ষয়ে যায় দেহ, তবু মন যে মনের মাঝে বন্দী
- এযে মনের সাথে মনের সন্ধি।
‘আমি যে কে তোমার - সুধাইলে মন বলে
ভাষা নেই, তবু কেঁপে উঠে মন, যেন সবখানে তুমি।
তবু চেয়ে আছে মন মোর কৈশোরের খুটা ধরে -মন যে মনের মাঝে বন্দি।


তবে তুমি কেবলি তুমি

প্রতি দিন, প্রতি রাতে, আছো তুমি বুকে মিশে,
হাজারো মানুষের ভীড়ে-
কষ্টের সাগরে, শান্তির দীপ হয়ে
জোয়ারে জোয়ারে যায় বুঝি ঢেকে,
তবু অাকড়ে ধরে রাখি ঢেউয়ের অাঘাতে
শুধু তোমাকে, শুধু তোমাকে।

অাশা রাখি, পাবো একদিন

জানি, কাঁদ তুমি নিষেধ না মানা মনে
তবু হেসে উঠো যেন দু:খ ঝড়ে পরে।
মনের দুয়ারে উকি মেরে উঠি
যেন হাফ ছাড়ে, শূন্য দুয়ারে দোকানি।

জানি জমে অাছে কথা বুকে
বলিব তোমাকে
কিন্তু কেমনে? কেমনে?

অপেক্ষায় অপেক্ষায় কেটে যায় সময়
ঘরির কাটা ঘুরে ব্যস্ততার গাড়ি থামবে বুঝি
- কিন্তু কৈ? অাঘাতে অাঘাতে ছুটে যায় দেখি।


তবু বলি, শোন

যাকে তুমি পেতে চাও দিও তারে মন
তার সাথে কোন কথা রাখিওনা গোপন।
মনের যত কথা আছে বল খুলে তাকে দেখবে সে তোমায় বুকে তুলে তুলে নেবে।
কখনো ভেবনা সে নেই - সে আসবে তোমার মাঝে - অনুভাবে অনুভবে
শুধু ডেকে উঠো মন দিয়ে
ঈশ্বরের চোখে চোখ রেখে
শুধু বল ‘আমি শুধু তোমার’।



Friday, June 29, 2018

আর বিলম্ব নয়। একই স্থানে লোকটিকে অাবার অাক্রমণ করা হয়। পান্নু মাঝির ছেলে তাকে পিছন দিয়ে অাঘাত করে যখন লোকটি একজন কাউন্সিলরের সাথে কথা বলছিল। কয়েকজন দাগী লোক তাকে এখনি এই গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলে। লোকটি তার দৃষ্টিভঙ্গি জানায় আর বলে, আমাকে মারা উচিত নাকি পুরুষ্কার দেয়া উচিত? কে অাছে, যে দেশের অাইন মানে এবং ধর্ম মানে? সতীত্ব অাছে সেরকম একজনকে অামি বিয়ে করতে চাই। এটা কি পাপ? কাউন্সিলর বলেন, ‘অবশ্যই না’। মনে করুন, সামাজিক ভাবে বিয়ে না করে আমি কারো সাথে মিলিত হতে চাই না। কিন্তু বিয়ের জন্য একটা মেয়েকে অবশ্যই নূন্যতম অাঠার বছর হতে হয়। অাপনাদের কি অাঠার বছর বা তার বেশি বয়সের একটি মেয়েও অাছে যার সতীত্ব খোয়া যায়নি, অাপনারা ধার্মিক? যদি না থাকে তাহলে বলতে হয় অাপনারা সত্য ধর্ম পালনে ব্যর্থ। হয় আপনাদের ধর্ম ভুল অথবা অাপনারা ধর্ম পালনে ভুল। বৃক্ষ তো ফলে পরিচিতি পায়। কাজেই, অাপনারা অনৈতিক ভাবে অথবা অবৈধ ভাবে সতীত্ব হারানে নারীদের পিতা কিংবা ভাই, এভাবেই অাপনারা অাপনার নবীকে ব্যর্থদের নবীতে পরিণত করছেন। কাউন্সিলর বলেন, ‘তাতে অাপনার কি সমস্যা?’ ........

Friday, March 23, 2018


ধর্মের শুরুতেই ধর্মীয় অনুভুতিতে অাঘাত। - হিংস্র জানোয়ারদের জব্দ করতে যুগ যুগ ধরে মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই একতা, শৃংখলা আর পরস্পর মান্য নিয়মেরর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাই একটা ধর্ম। কিন্তু সে শ্রদ্ধাবোধ যদি মানবকূলে জানোয়ার তৈরি করে আর জানোয়ারদের রক্ষা করে চলে তবে মানুষ মাত্রই সে ধর্ম মানতে বাধ্য নয়। কারন, যদি অধিকার হরণ করা হয়, অন্যায়কে শুধু অস্বীকার করা নয়, বরং তা পরাস্ত করার পূর্ণ অধিকার সবারই রয়েছে। -------- যারা অাল্লাহ বা সেরকম কিছুকে চূড়ান্ত মনে করেন, তারা মূলত: জ্ঞানে, বুদ্ধিতে, সময় ও বিবেক বিবেচনায় সীমাবদ্ধতা টেনে অানেন। তাদের জানা উচিত অজানা শক্তিই চূড়ান্ত যা কিনা ন্যায়বিচার, অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ন্যায়বোধ ধারণ করে।

Monday, February 5, 2018

where the religion taking them

Religion is becoming the most important affair because of not its role in keeping the followers on perfect track,  but its likely position in coming world - it's becoming a pole for nations engaged in war for it. Many nations may be aversive to war but religion will attract the war and will bring them on one of many poles likely to be collapsed. 

Tuesday, October 31, 2017

জগদ্ধাত্রী পুজো যেন প্রকৃতই সবাইকে অহংকার শুন্য করে।

পুজার দিনগুলে বেশ ভালই কাঙ্ক্ষিত দিনের মত  যাচ্ছিল। কিন্তু,  দশমীর দিনে হঠাৎ করে অস্বস্তি।  অশুরধর্মী দু' একটা বদ ছেলে অযথাই গা ঘেষতে চাচ্ছে,  ছোয়া লাগাতে চাচ্ছে - তবে অালতির মানসে নয়। বিসর্জনে অন্য সবার মত অার নদির ঘাটে যাওয়া হয় না। পরের দিন সকালে পুকুর ঘাটে অযথাই একজনের অপ্রয়োজনীয় শব্দে গলা কফের নোংরা চর্চা আর পুকুরের পানিতে বিশ্রী রকম ছিটাছিটি। এক সাদা পাঞ্জাবীলা  প্রস্রাব শেষে লিঙ্গটা ধরে ঘাটে পরিস্কার হচ্ছে। তার নোংরা ধর্মের নামটা লিখলে অাবার অনুভুতিতে অাঘাত হতে পারে। পানি দিয়ে মানুষ পরস্কার হয়, কিন্তু পরিস্কার হতে গিয়ে বদ্ধ পানি নোংরা করা নোংরাদেরই কাজ। কারো সাধ্য অাছে কি জল পরিস্কার করার? কে পারে পুকুর থেকে নোংরা জল টুকু অালাদা করতে? তবে মা'য়ের ইচ্ছাতেই গঙ্গা পুজা/ঘাট পুজা দিতে এলেন কয়েকজন হিন্দু। মোমবাতি, অাগরবাতি জ্বেলে, ফুল দিয়ে শুকনো ডালায় পনিতে ভাসিয়ে দেয়া। ও গুলো পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে এবং গন্ধ অার উত্তাপ ছড়াচ্ছে।  কিছুক্ষণ আগে অসাধ্য মনে হচ্ছিল , কিন্তু নোংরা গুলো হয়ত অাগুনের তাপে অাস্তে অাস্তে ধোয়া হয়ে নোংরাদের পানীয় হিসাবেই কোথাও অপেক্ষা করছে।
একজনে এসে বলে, সামনে জগদ্ধাত্রী পুজা, এবার জগদ্ধাত্রী পুজা হবে। মন্দিরে তো অার থাকতে পারবেন না। ছোট একটা শিশু ছেলে বলে, ক্যা?  থাকলে কি হবে? দর্গা পুজা, কালি পুজা সব পুজায় থাকবে। ইচ্ছা ছিল গতবছরের মত কালী পুজায় থাকা এবং প্রসাদ গ্রহন করার। কিন্তু সন্ধায় কাজ সেরে মন্দিরে অাসার পথেই অশুরের শিকার। তারা পথ অাগলে দেয়, মারধর  করে- খুব নীচু শ্রেণীর লোক ছিল তারা - পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীকে হাতকড়া পরায়। মারধর করে, পাসওয়ার্ডের জন্য নির্যাতন করে। তবে জীবনের ভাল দিনগুলোর কয়েকটি দিন কাটে জেলে। সেখানে মানুষগুলো সম্মান করতে জানে, ভাল মন্দের তফাৎ বুঝে, কুৎসা রটনাকারীদের বেপারেও সচেতন ছিল। ভোটের জন্য নোংরা ধর্মের স্বার্থ ব্যবহারকারী দলের গুটিকয়েক লোভীর মত মহিষ সেখানে চোখে পরেনি। সব থেকে বড় বিষয়, সেখানে প্রতিটা মানুষকেই সেখানে মিথ্যা মুক্ত মনে হয়েছে। কয়েদীরা বুঝি মিথ্যা পছন্দ করেন না, কিন্তু ঐ নোংরা রাজাকারী ধর্মের কয়েকটি মানুষ অার তাদের প্রশাসন জেলের বাহিরে তা করে চলছে। ঐ হীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোন একটি মহলের তৈরি করা অসত্য, মিথ্যা, অপমানকর প্রতিবেদনটি মূলত: তাদের কুৎসা রটানোরই প্রয়াস। অার ঐ রকম কুৎসায় যারা ঠোট মিলায় তারা মূলত: প্রডাক্ট অব হুইসপারার হয়ে যায়। তার পরেও তারা হয় কারন, তাদের পরিবারের এবং তাদের ধর্মের মেয়েরা বিয়ের অাগেই সতীত্ব হারায় - তা গোপন করাটা তাদের নিয়ম। তাদের পর্দা যেন অনেকটা: বিয়ে ছাড়া  ঢেকে রাখা হারানো সতীত্বের পরিচয়।

মহিষাসুর বধের সাথে সাথে হস্থীরূপ অশুর বিনাশে জগদ্ধাত্রৌ মাতার পুজার অায়োজন হচ্ছে। কিন্তু সমাজে চামচিকাও রয়েছে। জেল লাইব্রেরীতে একটি বই পড়াতে শুরু করা।  কয়েকটি পাতা উলটানোর মধ্যেই পরিচয় মেলে কাজীদের। অতটা নোংরা ষড়যন্ত্র বিশ্বাস করা কঠিন। কিন্তু মনে পরে, ২/৩ দিন আগে যে কাজীরা পথরোধ করে হঠাৎ অাঘাত শুরু করে তারা শুধু কিছুদিন পূর্বে মন্দির থেকে পোষাক/ মোবাইল/ মোবাইল সরঞ্জাম চুরি/ নষ্ট করার ঘটনায় জড়িত নয়, তারা প্রায় বিশ বছর অাগে এলাকার পরিচিত সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে রাতে থাকতে চায়, কিন্তু তৎক্ষণাৎ বিতাড়িত হয়। কারাণ, তারা তাদের ঢাকা ভ্রমণের অাসল উদ্দেশ্য শিবির নামের সংগঠনে যোগ দেয়ার বিষয় গোপন করে। তারা ঐ সংগঠনের অপততপরতার সাথে যুক্ত ছিল বিধায় সেখানে অতিথির মর্যাদা পেতে ব্যর্থ হয়। তারা মন্দির প্রাঙ্গণে ঐসব অাচরণ করে যাতে মানুষ হিন্দুদের দোষারোপ করে। সুযোগ পেল ওরা ভয়ংকর বিশ্বাসঘাতক। চামচিকাধর্মী ঐ রাজাকার কাজী গুলো অাসলে কি - বৈশিষ্ট্যে মহিষাসুর না হস্থী অশুর?

যতটুকু জানা যায়, দেবতারা অনেকটা চিন্তামুক্ত; নিজেদের বেশ ক্ষমতাবান ভাবতে শুরু করেন। মা' দুর্গা এসেছিলেন, অশুরগুলো সব বধ করা হয়ে গেছে, কাজেই বিপদ বুঝি শেষ। তারা নাকি অনেকটা অহংকারী হয়ে উঠেন। মহিষাসুর বধ করা হয়ে গেছে, ম' দুর্গা চলে গেছেন দশমীর বিসর্জনে। কাজেই এখন তাঁরাই শ্রেষ্ঠ। পরমেশ্বর ব্রম্মা তখন মর্তে অাসেন। এই শিক্ষা দিতে যে দেবতারা যে শক্তিতে নিজেদের শক্তিমান মনে করেন তা অসলে তাদের নিজেদের নয়, সকল ক্ষমতার উৎসই জগৎ মাতা। অশুর বধ করা হয়েছে, কিন্তু তাতে দেবতাদের অহংকার করার সুযোগ নেই। তাদের দায়িত্ব কর্তব্যে উদাসীন হবার সুযোগ নেই। মহিষাসুরের পরে হস্থীরূপ অশুর যেন মানুষের অনিষ্ঠের কারণ না হয়। হস্থীরূপ অশুরকেও জব্দ করতে হবে। বায়ুর দেবতা ব্রম্মাকে বলেন, তিনি পাহার-পর্বত, গাছপালা সবকিছু ছুড়ে ফেলতে পারেন। ব্রম্মা একটুখানি তৃণলতা বা ঘাস দেখিয়ে বায়ুর দেবতার ক্ষমতা দেখতে চান। সে সবকিছু উপড়ে ফেলতে পারে ঠিকই, কিন্তু ঘাসটুকুর কিছুই করতে পারল না। একে একে অগ্নির দেবতা এবং অন্য দেবতারাও ব্যর্থ হল। তখন তারা বুঝতে পারলেন যে তাদের ক্ষমতা  অাসলে তুচ্ছ্ব। সকল ক্ষমতা মূলত: জগত মাতার। তারা তখন জগৎ মা' দুর্গারই অন্যরূপ জগদ্ধাত্রী মাতার কাছে নত হন। নিকট অতীতের ইতিহাস বলে, একজন রাজা ব্রিটিশ বিরোধী বিধায় পুলিশের কাছে বন্ধী হন। দশমীতে তিনি মুক্ত হন, কিন্তু ততক্ষণে মা' দুর্গার বিসর্জন হয়ে যায়। একবছর অপেক্ষার প্রহর না গুনে রাজা কার্তিকের দশমীতে শাস্ত্রমতে জগদ্ধাত্রী পুজার অায়োজন করেন। মা'য়ের ভক্তরা দিকভ্রান্ত হন না। এ পুজা যারা করেন, তারা নাকি সত্যই অহংকারশুন্য হন।