Wednesday, December 9, 2020

Sinful should be destroyed

পাপকে ঘৃণা কর, পাপীকে নয়- যারা এসব কথা বলে পাপীদের নাজাত দিতে উৎসাহ যোগায় তারাও পাপী। পাপীরাই পাপের ধারক। পাপকে ঘৃণা করা মানে পাপ কাজ থেকে নিজেদর বিরত রাখা, পাপীদের ঘৃণা না করা মানে নাজাত দেয়া নয়  - বরং বিনাশ করা যদি পাপাীরা পাপ ধারণ করতে থাকে।  সব পাপ অবশ্য সবার বিবেচনাধীন নয়।

Those who teach hate the sin, not the sinful persons  and induce to release the sinful persons are also sinful. Sinful are the vehicles of sin. To hate the sin implies to keep itself free from sin, but, not to hate the sinful doesn't imply to release the sinful - rather destroy if the sinfuls continue to commit sin.  But all sins are not equal.

https://rhliaisle-com.webs.com/apps/blog/show/25968694-perception


Saturday, December 15, 2018

They are flies to euthanize


কিছুক্ষণের জন্য, ঈমান, খেলাফত, নবী, নামাজ,… এ সমস্থ কথা রেখে, চিন্তা করে দেখ, কারা অন্যায় করছে, মিথ্যা, দুর্নীতি, ছলনা, ধর্ষণ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, ব্যাভিচার, বেয়াদবি, কুৎসা রটানো, দুর্বলের হক নষ্ট, নির্যাতন … তারা যারাই হোক তারা এবং তাদের ধর্ম খারাপ। আমি মনে করি মানুষদের সঠিক পথে সঠিক রাখার জন্যই ধর্ম, পাপ-মুক্ত থাকা আর পাপ মুক্ত করার জন্যই ধর্ম। কেউ অন্যায় করলে শুধু প্রশ্ন না শাস্তি দেয়াটাও ধর্ম। আমি যদি চুরি করি, তবে আমার নবী চোরের নবী। কাজেই নিজেকে সঠিক রাখাটাই ধর্মের কাজ। আবার নিজেকে ঠিক রাখলেই চলে না, ছোটদের – যেমন ছোট ভাই-বোন, সন্তানদের অপকর্মের দায়ভারও নিজেদের কাধে আসে। তবে, আমার অজ্ঞতা বা উদাসীনতার কারণে অন্য একজনের অন্যায় পথে, পাপের পথে চলাটা গ্রহনযোগ্য হয়ে যায় না। আমি দায়ী হতাম যদি অামি অভিভাবক হতাম বা তার দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হত। মনেকর, তুমি দরজা খুলে ঘুমিয়ে আছ, তাই বলে অন্যের জন্য চুরি করাটা যায়েজ হয়ে যায় না আর চোরদেরও মাপ করা যায় না। চোরের চুরির পক্ষে নয় বরং চুরি বন্ধের চেষ্টা করা প্রয়োজন। ‘আসলে অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়।’ ‘হতে পারে, অনেকে নিয়তির কথাও রলে, কিন্তু সে জন্য অন্যায়কারিদের ক্ষমা বা প্রশ্রয় দেয়া ঠিক না।’ লোকটা ভাবে, যারা অশিক্ষা, অজ্ঞতা বা অসহায়ত্বকে দায়ী করেন মেয়ে সন্তানদের পাপের পথে যাবার জন্য, তাদের অবশ্যই চিন্তা করা প্রয়োজন তারা সেই নোংরা অভিভাবক আর সুবিধাভোগী পাপীদের অাড়াল করে পাপের পথকে সুগম করছে কিনা? নির্যাতিতাদের অনিষ্ঠ করছে কিনা? আর নির্যাতনকারীদের পক্ষে থাকছে কিনা? নিয়তির কথা অনেকে বলে, তাই মরা মানুষ জেতা করার দাবি করিনা, তাই বলে খুনিদের আড়াল করা নয় বরং ফাঁসি দাবি করি, আবার ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধার। ২য় অংশ: http://istishon.blog/node/27019

পোকা সব মরে যাক (২য় অংশ)

Monday, July 16, 2018

যখন মে, তুমি পল্লীর ঘরে ঘরে

মনের সাথে লড়ি

ভালবাসার সাগরে কত ঢেউ অাছড়ে পরে
ভেসে যাই পদ্ম হয়ে, ঢেউয়ের তালে তালে
লোকেরা বলে মানিয়েছে বেশ,
বন্ধুদের চোখে হিংসার রেশ,
বাবা-মা ভাবে সুখী হবে ঠায়, জীবন সঙ্গী যে।

মন তবু কোথা যেন পরে আছে চেয়ে
চাঁদের পানে মুখ হাসে, পথিকের চোখে অাকুতি
ঢেউয়ের টানে দেহ দোলে, মন যে পাথর মূর্তি।
অাঘাতে আঘাতে ক্ষয়ে যায় দেহ, তবু মন যে মনের মাঝে বন্দী
- এযে মনের সাথে মনের সন্ধি।
‘আমি যে কে তোমার - সুধাইলে মন বলে
ভাষা নেই, তবু কেঁপে উঠে মন, যেন সবখানে তুমি।
তবু চেয়ে আছে মন মোর কৈশোরের খুটা ধরে -মন যে মনের মাঝে বন্দি।


তবে তুমি কেবলি তুমি

প্রতি দিন, প্রতি রাতে, আছো তুমি বুকে মিশে,
হাজারো মানুষের ভীড়ে-
কষ্টের সাগরে, শান্তির দীপ হয়ে
জোয়ারে জোয়ারে যায় বুঝি ঢেকে,
তবু অাকড়ে ধরে রাখি ঢেউয়ের অাঘাতে
শুধু তোমাকে, শুধু তোমাকে।

অাশা রাখি, পাবো একদিন

জানি, কাঁদ তুমি নিষেধ না মানা মনে
তবু হেসে উঠো যেন দু:খ ঝড়ে পরে।
মনের দুয়ারে উকি মেরে উঠি
যেন হাফ ছাড়ে, শূন্য দুয়ারে দোকানি।

জানি জমে অাছে কথা বুকে
বলিব তোমাকে
কিন্তু কেমনে? কেমনে?

অপেক্ষায় অপেক্ষায় কেটে যায় সময়
ঘরির কাটা ঘুরে ব্যস্ততার গাড়ি থামবে বুঝি
- কিন্তু কৈ? অাঘাতে অাঘাতে ছুটে যায় দেখি।


তবু বলি, শোন

যাকে তুমি পেতে চাও দিও তারে মন
তার সাথে কোন কথা রাখিওনা গোপন।
মনের যত কথা আছে বল খুলে তাকে দেখবে সে তোমায় বুকে তুলে তুলে নেবে।
কখনো ভেবনা সে নেই - সে আসবে তোমার মাঝে - অনুভাবে অনুভবে
শুধু ডেকে উঠো মন দিয়ে
ঈশ্বরের চোখে চোখ রেখে
শুধু বল ‘আমি শুধু তোমার’।



Friday, June 29, 2018

আর বিলম্ব নয়। একই স্থানে লোকটিকে অাবার অাক্রমণ করা হয়। পান্নু মাঝির ছেলে তাকে পিছন দিয়ে অাঘাত করে যখন লোকটি একজন কাউন্সিলরের সাথে কথা বলছিল। কয়েকজন দাগী লোক তাকে এখনি এই গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলে। লোকটি তার দৃষ্টিভঙ্গি জানায় আর বলে, আমাকে মারা উচিত নাকি পুরুষ্কার দেয়া উচিত? কে অাছে, যে দেশের অাইন মানে এবং ধর্ম মানে? সতীত্ব অাছে সেরকম একজনকে অামি বিয়ে করতে চাই। এটা কি পাপ? কাউন্সিলর বলেন, ‘অবশ্যই না’। মনে করুন, সামাজিক ভাবে বিয়ে না করে আমি কারো সাথে মিলিত হতে চাই না। কিন্তু বিয়ের জন্য একটা মেয়েকে অবশ্যই নূন্যতম অাঠার বছর হতে হয়। অাপনাদের কি অাঠার বছর বা তার বেশি বয়সের একটি মেয়েও অাছে যার সতীত্ব খোয়া যায়নি, অাপনারা ধার্মিক? যদি না থাকে তাহলে বলতে হয় অাপনারা সত্য ধর্ম পালনে ব্যর্থ। হয় আপনাদের ধর্ম ভুল অথবা অাপনারা ধর্ম পালনে ভুল। বৃক্ষ তো ফলে পরিচিতি পায়। কাজেই, অাপনারা অনৈতিক ভাবে অথবা অবৈধ ভাবে সতীত্ব হারানে নারীদের পিতা কিংবা ভাই, এভাবেই অাপনারা অাপনার নবীকে ব্যর্থদের নবীতে পরিণত করছেন। কাউন্সিলর বলেন, ‘তাতে অাপনার কি সমস্যা?’ ........

Thursday, May 31, 2018

সবার জন্য উচ্চ শিক্ষা নয়, কিন্তু সুশিক্ষা সবার জন্য।




সবার জন্য উচ্চ শিক্ষা নয়, কিন্তু সুশিক্ষা সবার জন্য। শিক্ষার গুরুত্ব এবং শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দেশের শিক্ষিত অশিক্ষিত সব মানুষই স্বীকার করে থাকেন। অশিক্ষিত বলতে মূলত: প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অনুপস্থিতিকেই সবাই বুঝে থাকেন। যদিও কোন প্রকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াও অনেক অনেক মানুষই প্রত্যন্ত সমাজে রয়েছেন যারা জ্ঞান বুদ্ধি বিবেক বিবেচনা, সততা দেশপ্রেম ও যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসাধারণ। পোশাকআশাকে শিক্ষিত শিক্ষিত ভাবাপন্ন এবং কোন একটি চাকুরী সুবাদে যারা নিজেদের উচ্চ শিক্ষিত বলে গর্ব করে তাদের অনেকই মূলত: শিক্ষা, সুশিক্ষা এবং কূশিক্ষার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ দেয়। ভগবদগীতা-এ ভগবান যেমনটা উল্লেখ করেছেন, - তাতে, সব জ্ঞান সবার কাছে নিরাপদ নয়।("যারা সংযমহীন, ভক্তিহীন, পরিচর্যাহীন এবং আমার প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন তাদের কখনও এই গোপনীয় জ্ঞান প্রদান করবে না।") । সত্যিকার অর্থে, সব মানুষ সব শিক্ষার উপযুক্তও নয়। কিন্তু সুশিক্ষা সবার জন্য। সুশিক্ষিতরা অবশ্যই শিক্ষার বিষয়ে নিজের অযোগ্যতা সম্পর্কে সচেতন থাকেন এবং উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষিতদের সম্মান করেন। কারণ তারা অাত্মমর্যাদা সম্পন্ন হয়ে থাকেন এবং নিজের অর্জিত শিক্ষাকে সম্মানজনক মনে করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াও মানুষ সুশিক্ষিত হতে পারেন আবার যারা স্কুল শেষে আর কলেজের ছাত্র হয়নি তারাও সুশিক্ষিত ব্যক্তিত্বের পরিচয় রাখেন যখন তারা উচ্চতর শিক্ষিতদের সম্মান করেন এবং তাদের কাছ থেকে জানবার জন্য নিজেদের ছাত্র হিসাবে ভাবতে পারেন। কিন্তু, যারা এখানে না হোক, ওখানে, ওখানে না হোক অন্য যেকোন খান থেকে গ্রাজুয়েট বা পোষ্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রী পেয়ে নিজেদের সকল গ্রাজুয়েটদের সমান সমান মনে করে তাদের অবশ্যই বুঝো নেয়া উচিত যে তারা অযোগ্য। তারা যার পিছনে ছুটছে তারা তার সঠিক সদ্ব্যবহার জানেন না। সুশিক্ষিতরা অধিকতর মেধাবী এবং উচ্চতর শিক্ষায় শিক্ষিতদের নিকট হতে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ হারাতে চান না। কিন্তু, যে শিক্ষিতরা নিজের সীমাবদ্ধতা মানতে পারে না তারা জ্ঞান অর্জন নয় বরং চাঁদের ছবিতে হাত দিয়ে চাঁদ স্পর্শ করার তৃপ্তি অর্জনের অহংকার করে। তারা খুব সহজেই অনেক শিক্ষাকে ভুল বলে দিতে পারে কারণ তাদের পুস্তক জ্ঞানের সীমায় অনেক কিছুই থাকে না। যেসব গ্রাজুয়েটরা নিজেদেরকে অন্যসব গ্রাজুয়েটদের সমান ভাবে তাদের বুঝা উচিত খাল বিল নদীর জল অার ঝর্ণাধারা সমান নয়। যারা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে বি: কলেজ দেখে গর্বিত হন তারা সবাই নন কিন্তু যারা তাদেরকে দেশের অন্যসব বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটদের সমান সমান মনে করে বা তার থেকেও বেশী কিছু তারা মূলত: নদীনালার জলের উপযোগিতা বুঝতে ব্যর্থ। মনেরাখা উচিত, সবাই যখন একই সমাজের সন্তান, তখন হিংসা নয় বরং নিজেদের সমান সমান ভাবার মানসিকতা ছেড়ে নিজেদের সীমাবদ্ধতা, অযোগ্যতা স্বীকার করে অধিকতর মেধাবী ও উচ্চ শিক্ষিতদের সম্মান করা ও নিজ নিজ উৎকর্ষ সাধনে সচেষ্ট হওয়াই সুশিক্ষিতদের পরিচয়। ভাল গবেটের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই থাকে কিন্তু, একেকটা স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সামর্থের প্রয়োজন, সবার সব সামর্থ থাকবে না সেটাই বাস্তবতা কিন্তু স্তর ভেদে সামর্থের ভিন্নতা ও যোগ্যতার তারতম্য সম্পর্কে সচেতনতা থাকা বাঞ্ছনীয়। তাতে হয়ত অনাহূত ব্যক্তি হয়ে শূন্য হাড়ির মত অল্প শিক্ষিত মানুষরা গর্ব করত না, মানুষদের বিভ্রান্ত করত না অার উচ্চতর শিক্ষিতদের অসম্মান করত না। সাগরে নৌক চালানোর দক্ষতা অার কখন কোন জলাশয়ে, কিসের জন্য, কিভাবে নৌক চালানো হবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণের যোগ্যতা, কিংবা ইটের পরে ইট গাঁথার দক্ষতা আর কোথায় কখন কিভাবে ইট গাথা হবে তা নির্ধারণ করার দক্ষতায় অবশ্যই তারতম্য থাকে। যারা সেরকম বিশেষ বিশেষ বি: কলেজ গ্রাজুয়েটদের নিয়ে গর্ব করেন তারা নিজেরাই নিজেদের অন্তরে পার্থক্যটা স্বীকার করে নিচ্ছেন। কাজেই, নিজেদের শিক্ষাটাকে কূশিক্ষায় পরিণত না করে, সমাজের সাধারণ মানুষদের প্রতারিত না করে, তাদের উচিত সাধারণ মানুষরা, সুশিক্ষিত মানুষরা যেভাবে উচ্চতর শিক্ষিত ও মেধাবীদের সম্মান করেন, তাদের কাছ থেকে সুশিক্ষা গ্রহণ করেন তেমন ভাবে অধিকতর মেধাবী উচ্চ শিক্ষিতদের সম্মান করা। ধর্মের পোশাক পরা লোকগুলর মধ্যেও যেমন জানোয়ার থাকতে পারে, তেমন ভাবে উচ্চ শিক্ষাকে কলঙ্কিত না কারাই ভাল। যে খেলোয়ার উচ্চ পর্যায়ের খেলোয়ারদের সম্মান করত ব্যর্থ সে নিজে একজন খেলোয়ার হিসাবে নিজ মাঠে অন্যদের কাছ থেকে কি সম্মান অাশা করতে পারে - ছোটদের প্রতারিত করলে নিজে কি পেতে পারে! মনে রাখা উচিত, পাঠশালার কোন শ্রেণী কক্ষে মেধা তালিকার প্রথম দশজন স্টুডেন্ট আর শেষ দশজন স্টুডেন্টদের মধ্য পার্থক্য কতখানি। এবং অাপনার বিদ্যালয়ের এক নম্বর মেধাবী স্টুডেন্ট অন্য বিদ্যালয়ে প্রথম স্থান অধিকার করার যোগ্যতা নাও রাখতে পারে। সারা দেশের সেরা স্টুডেন্টরা সবাই অাবার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ নাও পেতে পারেন। কাজেই পার্থক্যটা সামান্য নয়। নদীর ঘোলা জল খেতে যারা অভ্যস্ত তারা শিক্ষার ধারা যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অাসে তা দেখেনি কিন্তু তাদের কখনোই উচিত নয় অন্যদের অসম্মান করা যারা মেধা ও জ্ঞানের বিচারে অনেকটাি এগিয়ে গেছে, নদীর জল আর ঝর্ণাধারার মতই কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পার্থক্য থাকবে। পুকুরের মাছ শিকার করা অার সাগরের মাছ শিকার করা এক কথা নয়। সবখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর র্যাংকিং এর সঠিক ব্যবস্থা নেই কিন্তু, র্যংকিং এর সঠিক ব্যবস্থা নিস্ফল হত না। কয়েকটি পাঠ্যপুস্তকের কিয়দাংশে মুখস্থ বিদ্যায় উচ্চ শিক্ষিত আর জ্ঞানের সাগরে জ্ঞান অর্জন, গবেষণা করা সমান হতে পারে না। মেধাশক্তির তারতম্য স্পট না থাকলেও যারা মাছ শিকার করেন, তারা অন্তত জানেন যে সবাই সব জলাশয়ে মাছ শিকার করার উপযুক্ত নয়। কিন্তু শিক্ষার ক্ষেত্রে মেধার পার্থক্যটাই মূখ্য। সেই সাথে প্রয়োজন পরিশ্রম। একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ে অালাপচারিতায়রত একজন ব্যক্তি অন্যদের বলছেন, "ছুটিতে যখন বাড়ি অাসে তখন দেখি তো কারা কি পড়াশুনা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নামেই, সেখানে মোটেও পড়াশুনা হয়না, তার থেকে....... কলেজ অনেক ভাল,... কলেজের ছাত্ররা অনেক পড়াশুনা করে।" বোধকরি এটা সেই সমস্ত মানুষের কথা যারা পড়াশুনা আর জ্ঞান অর্জনের পার্থক্য বুঝে না। অথবা তারা কোন প্রতারকের শিকার। পড়াশুনার সেই মান দন্ডে মাদ্রাসা কিংবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট ছোট শিশুরাও অনেক বেশি পড়াশুনো করে। এটা সবার সামনে এ কারণে যে, দেশ যখন উন্নত বিশ্বে প্রবেশ করছে, তখন মানুষ উন্নত সমাজ প্রত্যাশা করে। অর্থনৈতিক ভাবে উন্নত দেশ গুলোর মধ্যে যেমন শান্তির দেশ রয়েছে তেমনি অাবার বিশৃঙ্খল সন্ত্রাসী সমাজ অাছে, আবার অনেক দেশের ধর্মটাই তো নির্যাতনের। একটি দেশে উচ্চ শিক্ষার চাহিদা অনুধাবন করা প্রয়োজন কারণ সমাজে সকল পেশার মানুষই প্রয়োজন, যদি সুশিক্ষা থাকে তবে কোন মানুষ এবং কোন পেশাই অসম্মানের নয়। কিন্তু যারা শুধু অর্থউপার্জন/চাকুরির জন্য উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে চায় তাদের বুঝা উচিত যে শিক্ষার সাথে সম্মান জড়িত। এমনকি যারা পারিবারিক প্রভাব প্রতিপত্তির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে একখানা ডিগ্রী অর্জন করতে চায় তাদেরও বুঝা উচিত - যারা অধিকতর শিক্ষিতদের এবং মেধাবীদের সম্মান করতে জানে না তারা নিজেরা নিজেদের শিক্ষার কতটুকু মূল্য অাশা করেন। যারা সুশিক্ষা, জ্ঞান অর্জন, গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য নয় বরং চাকুরী/স্টাটাসের জন্য যোগ্যতার ঘাটতি থাকা সত্বেও উচ্চ শিক্ষার ডিগ্রী বা সনদ অর্জন করতে চায় তাদের যে প্রবনতা সমাজে শৃঙ্খলা নষ্ট করে তা হচ্ছে তারা মেধাবীদের অসম্মান করে এবং অন্যায়ভাবে বা অবৈধ পন্থায় নিজেদের অধিক যোগ্য প্রমানে তৎপর থাকে যদিও তারা নিজেরা নিজ নিজ অযোগ্যতা সম্পর্কে একেবারে অবুঝ নয়। যাদের অাত্মমর্যাদাবোধ অত্যন্ত নীচু তারাই খুব সহজে অপরিচিত মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করে। তারা নিজেদের শাসক আর অন্য সবাইকে অজ্ঞ, অন্ধ, তুচ্ছ মনেকরে। বিশেষকরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে টুপি ধারি ধর্মজ্ঞান সম্পন্নরা পথে ঘাটে সর্বত্রই অন্যদের বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে; এবং বিরক্তি সৃষ্টি, ঔদ্ধত্য, দু:সাহস, বেয়াদবি যেন তাদের ধর্মের পরিচয় হয়ে গেছে। যে অঞ্চল গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, ছিল বি: কলেজ সেখানকার মানুষদের অাত্মমর্যাদায় যে কতটা ঘাটতি ছিল তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল ষ্টুডেন্টদের পদচারণা অার জ্ঞান দ্বীপ্ত সিদ্ধান্তে মানুষ অাস্তে অাস্তে উপলব্ধি করতে পারে। তবে সর্বত্র বিশ্ববিদ্যালয় থাকাটা যেমন বাঞ্চণীয় নয় তেমনি বিশ্ববিদ্যালয় না থাকাটা কোন দুর্ভাগ্য নয় যদি সমাজে রাজনৈতিক দলের নামে সমাজে ন্যায়-নীতিহীন, সুযোগ সন্ধানী এবং অযোগ্য পাপীদের অপতৎপরতা না থাকত। মেধাবীরা যাদের অযোগ্য মনেকরে, দেশপ্রেমহীন সেই লোভিরাই রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য বি:কলেজ শিক্ষিতদের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েটদের থেকেও উত্তম বলে গণ্য করার অপচেষ্টা চালায়। যেখানে মেধা থাকে সেখানে ন্যায়বোধ থাকে - যা সকল অপশক্তি ভয় করে। একারণেই হয়ত রাজাকার আর পাকিস্তানপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় মেধা বিনাশ করার অপচেষ্টা চালায়, আর তাদের অনুসারীরা সর্বত্রই মেধাবী উচ্চশিক্ষিতদের অসম্মান করতে উৎসাহ যোগায়। অন্যের জ্ঞান চুরি এবং অকৃতজ্ঞতা তাদের অারেকটি বৈশিষ্ট্য যা কখনোই কল্যাণ টিকিয়ে রাখতে পারে না। বরাবরের মত অবারো মনেহয় উন্নয়নের যাত্রাপথে শিক্ষার চাহিদা নিরূপণ করা, বিভিন্ন পেশা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের চাহিদা নিরূপণ, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার চাহিদা নির্ধারণ এবং প্রবেশাধিকারের যোগ্যতাও সঠিকভাবে নির্ধারণ করা উচিত।(Higher education should be controlled and the access should be judged properly.)উচ্চ শিক্ষার বিস্তার কমিয়ে উচ্চ শিক্ষার গভীরতা বৃদ্ধি অার পেশা ভিত্তিক শিক্ষা /প্রশিক্ষণের বিস্তার বৃদ্ধি করাই শ্রেয়। যে কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মপন্থা নির্ধারণে খুব বেশি লোকবল নয় প্রয়োজন উন্নত জ্ঞান, বুদ্ধি ও মেধা; লোকবল প্রয়োজন প্রতিষ্ঠান সচল রাখতে। তাই সবার জন্য উচ্চ শিক্ষা নয় বরং পেশামূখী সুশিক্ষার বিস্তার ঘটানোটাই শ্রেয়। মেধার বিচারে যারা পিছিয়ে থাকে অথচ উচ্চ শিক্ষার সনদ প্রাপ্তির জন্য লোভী হয়ে উঠে, তাদের জন্য উচ্চ শিক্ষা কতখানি সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে? 'অল্প শিক্ষা ভয়ংকর' কথাটা যদি উচ্চ শিক্ষিতদের জন্য প্রযোজ্য হয়ে যায় তবে তা উচ্চ শিক্ষার জন্য একটা কলঙ্ক। পোশাকে শিক্ষিত শিক্ষিত হলেও অাচরণে তারা অনেকে পথে ঘাটে গেয়ে অশিক্ষিতদের হার মানায়। তাদের কিতাবি জ্ঞানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব জ্ঞান যে একেবারেই সীমিত সেটা উপলব্ধি করলে অনন্ত তারা অন্যদের বিষয়ে চটজলদি ধারনা পোষণ ও অপপ্রচার চালাবার ধৃষ্টতা দেখায় না। তারা হারাম হালাল, জায়েজ নাজায়েজ চেনে অথচ রেস্তোরার খাবার স্পর্শ করে উত্তাপ মাপতে বিবেকের পরিচয় দেয় না কারণ তারা ছুঁতভরা খাবার খেতে অভ্যস্ত, তাদের ধর্ম মতে তা তো হারাম নয়। তারা পথে ঘাটে বিরক্তিকর ভাবে অন্যের শরীরে ঘেষে দাড়াতে দ্বিধা করে না বরং কাধে কাধ মেলানোর ধর্মীয় শিক্ষায় গর্ব করে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের রেস্তোরা গুলোতেও পানির ট্যাংক বা সেরকম নিরপদ স্থানে পানি সংরক্ষণ করে, ট্যাপ ব্যবহার করে, খাবার প্লেট, কাপ ইত্যাদি অালাদা অালাদা ভাবে ধুয়ে নেয়, কিন্তু ঐরূপ হালাল-হারাম সর্বস্ব শিক্ষিতদের শহরে বহুকাল পূর্ব থেকে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকলেও কাপ/প্লেট ইত্যাদি একই পাত্রে চুবিয়ে ধুতে অভ্যস্ত - থু থু জরানো অাঙ্গুলে প্লেট চেটে খাওয়া এবং একই প্লেটে খাওয়া তো তাদের অনেকের ধর্ম মতে সোয়াবের কাজ। অাবার ছোটদের গণিত বইতে ধর্মের অছিলায় মুনাফা শব্দটা সেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে তাতে বাস্তবতা বিবর্জিত ভাবে মুনাফা শব্দের অর্থটাই পাল্টে যাচ্ছে। তারা গ্রাজুয়েট হয়ে/ শিক্ষার সনদ পেয়ে দম্ভ শুরু করে কিন্তু মানসিকতার উৎকর্ষতা নিয়ে কতটুকু ভাবে? তারা অনেকেই সেই ছোটবেলায় শিক্ষিত/অশিক্ষিত/টুইরাদের নিকট হতে অর্জিত ধর্মীয় জ্ঞান, নীতি-অাদর্শ নিয়ে জীবন পার করেন, নিজস্ব বিবেক বিবেচনার উন্নয়ন ঘটাতে পারেন কি? একারণেই হয়ত ... বি: কলেজ শিক্ষিতরা খুব সহজেই অন্যদের ভুল ও নীচ মনেকরে, এমনকি পরিচয় গোপন রেখে তাদের সামনে দ্যা গার্ডিয়ান বা সেরকম সংবাদপত্রের লেখা উপস্থান করলে তারা হয়ত খুব সহজেই ভুল বা অশুদ্ধ গ্রামার বলে মন্তব্য করতে পারে কারণ তাদের সীমিত পুস্তক জ্ঞানে অনেক কিছুই অনুপস্থিত। তারা সংখ্যায় যত বেশিই হোক না কেন তাদের তুষ্ট করার রাজনীতি টিকে থাকে না কারণ, বিবেক যখন নাড়া দেয় মানুষ নিজের ভুল শুধরেই অানন্দিত হয়। যারা পথেঘাটে কাঁচা কাঁচা পান-সুপাড়ি খেতে পারে তাদের ধর্মীয় ছবকে সমাজ, পরিস্থিতি, মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও নিজস্ব বিবেক-বিবেচনা নয় বরং কানপড়ার প্রতিফলন ঘটে। তারা পথেঘাটে নারীদের উত্তাক্তকারিদের বিরত করে না, বরং দোষ চাপায় নারীদের পোশাকের উপর। কিন্তু ৪-১০ বছর বয়সের যে শিশুরা নির্যাতনের শিকার হয় তাদের বোরকার ব্যবস্থা করবে কোন ধর্ম? কোন একটা লেখায় যেমনটা পড়েছিলাম তাতে '৭১ সালে যে নারীরা নির্যাতনের শিকার হয় সেখানেও কি পোশাক দায়ী ছিল?' অাসলে অযোগ্যরা যখন যোগ্যতা বলে ব্যর্থ হয়েও দেশ ও সমাজ পরিচালনা করার জন্য অপচেষ্টা চালায় তখন তারা মেধাবীদের লাঞ্চিত করে আর কূরুচী সম্পন্নদের উৎসাহ যোগায়। বাতিল পুরুষরাই বিশেষ করে যারা কখনো কোন ভাল মেয়ের অামন্ত্রণ পায়নি অর্থাৎ যারা ভাল মেয়েদের কাছে নিজেদের অাকর্ষণীয় করতে ব্যর্থ, তারাই ধর্ষণের মত ঘটনায় দায়ী। প্রগতিশীল, স্বাধীনতাকামী, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী দেশপ্রেমী মানুষরাই অপশক্তি রুখে দেয়। বিধাতা কাকে সহায়তা করবে যদি ন্যায়ের পক্ষে কেহ না দাড়ায়! স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য যারা যুদ্ধকরেছিল এবং সেই অাদর্শকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখতে সচেষ্ট তারা দেশ পরিচালনায় থাকবে, সর্বত্র অগ্রাধিকার পাবে এবং একই সাথে দেশ বিরোধী পাকিস্তানপন্থী রাজাকাররা দূরে থাকবে তেমনটাই প্রত্যাশা, কিন্তু উভয়ের মিলনে যে সন্তান সে যদি রাজাকারের সন্তান হয়, তার পিতা যদি রাজাকার হয়, সে যদি স্বাধীনতা ও মানবাধিকার বিরোধী হয় তবে অগ্রাধিকার নয় বরং দূরে রাখাই ভাল। ভুল-ভ্রান্তি সুশিক্ষার কমতি মানুষ মাত্রই থাকতে পারে কিন্তু সুশিক্ষিত তারাই যারা ভুল ও অন্যায়কে ত্যাগ করে সঠিক শিক্ষাকে সম্মান করে, সত্য ও ন্যায়কে গ্রহণ করে। গত দশ বছরে উন্নযনের কারণে গ্রামে গ্রামে জমির দাম বৃদ্ধি পায়। অর্থ সম্পদের দাপটে অনেক দরিদ্র শিক্ষা বঞ্চিত মানুষ অনেক ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে গেছে। শিক্ষিত মানুষরা যদি শিক্ষিত মানুষদের সম্মান রাখতে না পারেন তবে সমাজ শান্তি নয় বরং অস্থিরতা ও অশান্তির পথে এগুবে। ছোটবেলা কোন একটা খবরে পড়েছিলাম উন্নত বিশ্বে উচ্চশিক্ষিত মানুষরা ক্ষেতে খামারে কাজ করে। তার মানে এই না যে সেখানে শিক্ষার অসম্মান হচ্ছে। সবাই যদি সবার অধিকার ও সম্মানের ব্যাপারে সচেতন থাকে তাহলে সবাই সুশিক্ষিতের পরিচয় দেয়, সুনাগরিকের পরিচয় দেয়। কিন্তু সনদ সংগ্রহ করাই যাদের লক্ষ এবং সনদ সংগ্রহ করেই যারা নিজেদের উচ্চ শিক্ষিত মনে করে এবং অন্যায় ভাবে অন্যদের পথ অাগলে দিতে চায় তারা শিক্ষার কলঙ্ক। দেশের সবাই সুশিক্ষিত হোক, যারা যোগ্য, যাদের মেধা অাছে, ইচ্ছে থাকে তাদের জন্য উচ্চ শিক্ষা ও উচ্চ পর্যায়ের গবেষণার দরজা খোলা থাকুক। তবে শিক্ষার মান নিশ্চিত না করে শুধু পাশের হার বৃদ্ধি অবশ্যই কল্যানকর নয়। কাজেই, বিগত বছরের পাশের হারের কমতিটা অবশ্যই ইতিবাচক। তবে এটা সত্য যে, মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পাশের হার বৃদ্ধি মানে ঝরে পড়ার হার কম। বিদ্যালয়ে থাকলে শিশুরা কিছুটা হলেও শিখতে পারে। কিন্তু, পাশের হার বৃদ্ধির জন্য সঠিক ভাবে সুশিক্ষা ও মান নিশ্চিত করাটাও বাঞ্ছণীয়। তবে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষা, কর্মমুখী শিক্ষা এবং উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণা একই বিষয় নয়। উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্র ভর্তি যোগ্যতা - এর ভিত্তিতে শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের র্যংকিং সম্পর্কে সচেতনতা, শিক্ষা ও গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ এবং শিক্ষিতদের প্রতি সম্মান সুশিক্ষিতদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। কর্মমুখী শিক্ষার ক্ষেত্র, যাদের ইচ্ছে থাকে তারা অনেকে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মমুখী শিক্ষা সমাপ্ত না করেও বাস্তবে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে। অাসলে, সমাজের চাহিদামত উপযুক্তদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ নিশ্চিত করাটাই সমাজের দাবী। তবে খেয়াল রাখা উচিত যেনে,আ শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন অশুর তৈরির কারণ না হয়। - রাসেল হাসান লিয়া। .......

Friday, March 23, 2018

ধর্মের শুরুতেই ধর্মীয় অনুভুতিতে অাঘাত।


ধর্মের শুরুতেই ধর্মীয় অনুভুতিতে অাঘাত। - হিংস্র জানোয়ারদের জব্দ করতে যুগ যুগ ধরে মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই একতা, শৃংখলা আর পরস্পর মান্য নিয়মেরর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাই একটা ধর্ম। কিন্তু সে শ্রদ্ধাবোধ যদি মানবকূলে জানোয়ার তৈরি করে আর জানোয়ারদের রক্ষা করে চলে তবে মানুষ মাত্রই সে ধর্ম মানতে বাধ্য নয়। কারন, যদি অধিকার হরণ করা হয়, অন্যায়কে শুধু অস্বীকার করা নয়, বরং তা পরাস্ত করার পূর্ণ অধিকার সবারই রয়েছে। -------- যারা অাল্লাহ বা সেরকম কিছুকে চূড়ান্ত মনে করেন, তারা মূলত: জ্ঞানে, বুদ্ধিতে, সময় ও বিবেক বিবেচনায় সীমাবদ্ধতা টেনে অানেন। তাদের জানা উচিত অজানা শক্তিই চূড়ান্ত যা কিনা ন্যায়বিচার, অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ন্যায়বোধ ধারণ করে।ধর্মের শুরুতেই ধর্মীয় অনুভুতিতে অাঘাত। বিস্তারিত...

Monday, February 5, 2018

where the religion taking them

Religion is becoming the most important affair because of not its role in keeping the followers on perfect track,  but its likely position in coming world - it's becoming a pole for nations engaged in war for it. Many nations may be aversive to war but religion will attract the war and will bring them on one of many poles likely to be collapsed. 

Tuesday, October 31, 2017

জগদ্ধাত্রী পুজো যেন প্রকৃতই সবাইকে অহংকার শুন্য করে।

পুজার দিনগুলে বেশ ভালই কাঙ্ক্ষিত দিনের মত  যাচ্ছিল। কিন্তু,  দশমীর দিনে হঠাৎ করে অস্বস্তি।  অশুরধর্মী দু' একটা বদ ছেলে অযথাই গা ঘেষতে চাচ্ছে,  ছোয়া লাগাতে চাচ্ছে - তবে অালতির মানসে নয়। বিসর্জনে অন্য সবার মত অার নদির ঘাটে যাওয়া হয় না। পরের দিন সকালে পুকুর ঘাটে অযথাই একজনের অপ্রয়োজনীয় শব্দে গলা কফের নোংরা চর্চা আর পুকুরের পানিতে বিশ্রী রকম ছিটাছিটি। এক সাদা পাঞ্জাবীলা  প্রস্রাব শেষে লিঙ্গটা ধরে ঘাটে পরিস্কার হচ্ছে। তার নোংরা ধর্মের নামটা লিখলে অাবার অনুভুতিতে অাঘাত হতে পারে। পানি দিয়ে মানুষ পরস্কার হয়, কিন্তু পরিস্কার হতে গিয়ে বদ্ধ পানি নোংরা করা নোংরাদেরই কাজ। কারো সাধ্য অাছে কি জল পরিস্কার করার? কে পারে পুকুর থেকে নোংরা জল টুকু অালাদা করতে? তবে মা'য়ের ইচ্ছাতেই গঙ্গা পুজা/ঘাট পুজা দিতে এলেন কয়েকজন হিন্দু। মোমবাতি, অাগরবাতি জ্বেলে, ফুল দিয়ে শুকনো ডালায় পনিতে ভাসিয়ে দেয়া। ও গুলো পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে এবং গন্ধ অার উত্তাপ ছড়াচ্ছে।  কিছুক্ষণ আগে অসাধ্য মনে হচ্ছিল , কিন্তু নোংরা গুলো হয়ত অাগুনের তাপে অাস্তে অাস্তে ধোয়া হয়ে নোংরাদের পানীয় হিসাবেই কোথাও অপেক্ষা করছে।
একজনে এসে বলে, সামনে জগদ্ধাত্রী পুজা, এবার জগদ্ধাত্রী পুজা হবে। মন্দিরে তো অার থাকতে পারবেন না। ছোট একটা শিশু ছেলে বলে, ক্যা?  থাকলে কি হবে? দর্গা পুজা, কালি পুজা সব পুজায় থাকবে। ইচ্ছা ছিল গতবছরের মত কালী পুজায় থাকা এবং প্রসাদ গ্রহন করার। কিন্তু সন্ধায় কাজ সেরে মন্দিরে অাসার পথেই অশুরের শিকার। তারা পথ অাগলে দেয়, মারধর  করে- খুব নীচু শ্রেণীর লোক ছিল তারা - পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীকে হাতকড়া পরায়। মারধর করে, পাসওয়ার্ডের জন্য নির্যাতন করে। তবে জীবনের ভাল দিনগুলোর কয়েকটি দিন কাটে জেলে। সেখানে মানুষগুলো সম্মান করতে জানে, ভাল মন্দের তফাৎ বুঝে, কুৎসা রটনাকারীদের বেপারেও সচেতন ছিল। ভোটের জন্য নোংরা ধর্মের স্বার্থ ব্যবহারকারী দলের গুটিকয়েক লোভীর মত মহিষ সেখানে চোখে পরেনি। সব থেকে বড় বিষয়, সেখানে প্রতিটা মানুষকেই সেখানে মিথ্যা মুক্ত মনে হয়েছে। কয়েদীরা বুঝি মিথ্যা পছন্দ করেন না, কিন্তু ঐ নোংরা রাজাকারী ধর্মের কয়েকটি মানুষ অার তাদের প্রশাসন জেলের বাহিরে তা করে চলছে। ঐ হীন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কোন একটি মহলের তৈরি করা অসত্য, মিথ্যা, অপমানকর প্রতিবেদনটি মূলত: তাদের কুৎসা রটানোরই প্রয়াস। অার ঐ রকম কুৎসায় যারা ঠোট মিলায় তারা মূলত: প্রডাক্ট অব হুইসপারার হয়ে যায়। তার পরেও তারা হয় কারন, তাদের পরিবারের এবং তাদের ধর্মের মেয়েরা বিয়ের অাগেই সতীত্ব হারায় - তা গোপন করাটা তাদের নিয়ম। তাদের পর্দা যেন অনেকটা: বিয়ে ছাড়া  ঢেকে রাখা হারানো সতীত্বের পরিচয়।

মহিষাসুর বধের সাথে সাথে হস্থীরূপ অশুর বিনাশে জগদ্ধাত্রৌ মাতার পুজার অায়োজন হচ্ছে। কিন্তু সমাজে চামচিকাও রয়েছে। জেল লাইব্রেরীতে একটি বই পড়াতে শুরু করা।  কয়েকটি পাতা উলটানোর মধ্যেই পরিচয় মেলে কাজীদের। অতটা নোংরা ষড়যন্ত্র বিশ্বাস করা কঠিন। কিন্তু মনে পরে, ২/৩ দিন আগে যে কাজীরা পথরোধ করে হঠাৎ অাঘাত শুরু করে তারা শুধু কিছুদিন পূর্বে মন্দির থেকে পোষাক/ মোবাইল/ মোবাইল সরঞ্জাম চুরি/ নষ্ট করার ঘটনায় জড়িত নয়, তারা প্রায় বিশ বছর অাগে এলাকার পরিচিত সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে রাতে থাকতে চায়, কিন্তু তৎক্ষণাৎ বিতাড়িত হয়। কারাণ, তারা তাদের ঢাকা ভ্রমণের অাসল উদ্দেশ্য শিবির নামের সংগঠনে যোগ দেয়ার বিষয় গোপন করে। তারা ঐ সংগঠনের অপততপরতার সাথে যুক্ত ছিল বিধায় সেখানে অতিথির মর্যাদা পেতে ব্যর্থ হয়। তারা মন্দির প্রাঙ্গণে ঐসব অাচরণ করে যাতে মানুষ হিন্দুদের দোষারোপ করে। সুযোগ পেল ওরা ভয়ংকর বিশ্বাসঘাতক। চামচিকাধর্মী ঐ রাজাকার কাজী গুলো অাসলে কি - বৈশিষ্ট্যে মহিষাসুর না হস্থী অশুর?

যতটুকু জানা যায়, দেবতারা অনেকটা চিন্তামুক্ত; নিজেদের বেশ ক্ষমতাবান ভাবতে শুরু করেন। মা' দুর্গা এসেছিলেন, অশুরগুলো সব বধ করা হয়ে গেছে, কাজেই বিপদ বুঝি শেষ। তারা নাকি অনেকটা অহংকারী হয়ে উঠেন। মহিষাসুর বধ করা হয়ে গেছে, ম' দুর্গা চলে গেছেন দশমীর বিসর্জনে। কাজেই এখন তাঁরাই শ্রেষ্ঠ। পরমেশ্বর ব্রম্মা তখন মর্তে অাসেন। এই শিক্ষা দিতে যে দেবতারা যে শক্তিতে নিজেদের শক্তিমান মনে করেন তা অসলে তাদের নিজেদের নয়, সকল ক্ষমতার উৎসই জগৎ মাতা। অশুর বধ করা হয়েছে, কিন্তু তাতে দেবতাদের অহংকার করার সুযোগ নেই। তাদের দায়িত্ব কর্তব্যে উদাসীন হবার সুযোগ নেই। মহিষাসুরের পরে হস্থীরূপ অশুর যেন মানুষের অনিষ্ঠের কারণ না হয়। হস্থীরূপ অশুরকেও জব্দ করতে হবে। বায়ুর দেবতা ব্রম্মাকে বলেন, তিনি পাহার-পর্বত, গাছপালা সবকিছু ছুড়ে ফেলতে পারেন। ব্রম্মা একটুখানি তৃণলতা বা ঘাস দেখিয়ে বায়ুর দেবতার ক্ষমতা দেখতে চান। সে সবকিছু উপড়ে ফেলতে পারে ঠিকই, কিন্তু ঘাসটুকুর কিছুই করতে পারল না। একে একে অগ্নির দেবতা এবং অন্য দেবতারাও ব্যর্থ হল। তখন তারা বুঝতে পারলেন যে তাদের ক্ষমতা  অাসলে তুচ্ছ্ব। সকল ক্ষমতা মূলত: জগত মাতার। তারা তখন জগৎ মা' দুর্গারই অন্যরূপ জগদ্ধাত্রী মাতার কাছে নত হন। নিকট অতীতের ইতিহাস বলে, একজন রাজা ব্রিটিশ বিরোধী বিধায় পুলিশের কাছে বন্ধী হন। দশমীতে তিনি মুক্ত হন, কিন্তু ততক্ষণে মা' দুর্গার বিসর্জন হয়ে যায়। একবছর অপেক্ষার প্রহর না গুনে রাজা কার্তিকের দশমীতে শাস্ত্রমতে জগদ্ধাত্রী পুজার অায়োজন করেন। মা'য়ের ভক্তরা দিকভ্রান্ত হন না। এ পুজা যারা করেন, তারা নাকি সত্যই অহংকারশুন্য হন।


Sunday, October 8, 2017

মা' অশুর যেন না হয় তোমার কোন সন্তান। 

সবার মনে আনন্দ। সকল বিপদ তাড়িয়ে সুখ -শান্তি,  আনন্দ আর প্রাচুর্যে জীবন ভরে দিতে আসবেন কল্যানময়ী দেবী মা-দুর্গা। শিল্পীরা যত্নে গড়ে তুলছেন প্রতিমা। বিদ্যার দেবীর দৃস্টিদান তারপরে জগত মাতা আর অশুর জব্ধকারী মনসার দৃস্টি যেন জীবন্ত হয়ে উঠছে। একে একে গণেশ -কার্তিক লক্ষ্মী আর শিব সহ সকল দেবতা চিরাচরিত নিয়মে নিজ নিজ অবস্থানে প্রস্তুত অশুরগুলো বিনাশ করতে। জানার আগ্রহ প্রকাশ করা হয় দেবতার বাহন আর অবস্থানের তাৎপর্য নিয়ে। অনন্তকাল যাবৎ মা-দুর্গার ডান পাশে থাকেন প্যাচার পিঠে আগত লক্ষ্মী আর তাঁর ডানে ময়ুরে চরে কার্তিক। মাতার বা দিকে থাকেন হাঁসের পিঠে সরস্বতী আর তার পাশে ইদুরের পিঠে দেবতা গণেশ। অনেকেরই হয়ত অনেক কিছু অজানা কিন্তু সনাতন এই ধর্মের রয়েছে তাৎপর্য পূর্ন ইতিহাস। দেবতাদের অবস্থান ও বাহনের পিছনেও হয়ত রয়েছে অনেক বড় কোন তাৎপর্য বা শিক্ষা। দীর্ঘ কালের অভিজ্ঞ একজন পাল বলেন চিরকাল একই নিয়মে  একই বাহনে একই অবস্থানে প্রতিমাগুলো সাজানো হয়। এসবের পরিবর্তনের সুযোগ তাদের নেই, তবে এবার অশুরের সংখ্যা বেশী। চার চারটা অশুর জব্ধ অবস্থায়। আবার আলতা পায়ে দেবী মা এর সর্ব ডানে দেবতা কার্তিকের পায়ে জুত, অন্যরা কেন পাদুকা মুক্ত -এর জবাবে তিনি জীবন্ত মুচকি হসিতে মায়ের আগমনের আনন্দে সুখ, শান্তি আর প্রচুর্যে  যেন স্বর্গীয় রূপ ফুটিয়ে তোলেন।
ছোট ছোট শিশুরা পিতা-মাতার হাত ছেড়ে দৌড়ে এসে কপল ঠেকায় মায়ের মন্দিরে। শিশুকাল থেকেই এই শ্রদ্ধা, ভক্তি সম্মানের শিক্ষা আর অনুশীলন সমাজ জীবনে শত শত কুলাঙ্গারের মাঝেও তাদেরকে খুঁজে পেতে বেশী বেগ পেতে হয়না। তারা গড়তে জানে, শ্রদ্ধা ভক্তি, সম্মান করতে জানেন আবার প্রয়োজনে যথাসময় বিসর্জন দিতে পারেন। ঐক্য,  আনন্দ, বিচার,  শাস্তি, ন্যায়-অন্যায় প্রতিষ্ঠা- সব কিছুতে যেন প্রকৃতি সহযোগী। সব কিছু প্রকৃত মানব জগতেরই প্রতিচ্ছবি।  অানন্দঘন মূহুর্ত গুলো পেরিয়ে বিদায়ের দিনে বুক দুকরে উঠে বিশ্বাসীদের ।  মা সন্তানদের অাবদার ফেলেদেন না। বছর জুরে তৈরি করে রাখা আবদার গুলো মায়ের কাছে তুলে ধরা। ভক্তি শ্রদ্ধা, আনন্দ উল্লাস,  আবেগ আর বিদায়ী বেদনার মাঝে সামান্য মুহূর্তটুকুতে নিজের আবদার গুলো তুলে ধরতে তালগোল পেচিয়ে ফেলে অনেকেই। সারা বছর যাবৎ প্রতিক্ষা শেষে অতি যত্নে গড়ে তোলা প্রতিমা বিসর্জন হয় বিচ্ছেদী বেদনা আর শান্তিতে ভরা তৃপ্ত হৃদয়ে।  তারা গড়তে জানে, শ্রদ্ধা ভক্তি করতে জানে, আবার বিসর্জন দিতেও পারে। কোন লোভ,  মোহ,  আসক্তি তাদের সমাজ জীবনে কর্ম হতে বিরত রাখে না।  পরস্পর ঐক্য,  সহযোগিতা,  আনন্দ উল্লাস,  শান্তি শৃংখলা আর অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে ত্যাগের শিক্ষা তাদেরকে যুগ যুগ ধরে একটা স্বার্থক মানবজাতিতে পরিনত করে। ঢাকের তালে তালে বিশ্বাসীরা আনন্দে মেতে থাকে এমনি ভাবে যেন জীবন্ত মা দূর্গা ভক্তদেরকে জগত হতে জটিলতা মুক্ত সর্গীয় কোন ভুবনে নিয়ে যান। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রকৃত বিশ্বাসীরা মায়ের চোখে চোখ রেখে ঠিকই বুঝে নেয় মনের অাশা মা কতটুকু গ্রহন করেছে -প্রিয় মানুষটিকে মুহূর্তেই কাছে পাবার মধ্যে সব কিছু যেন সত্য হয়ে উঠে। নিজের মা যত আপনিই হোকনা কেন, মানুষ মাত্রই ভুল। কিন্তু দেবী মা ভুলের উর্ধে। ৮/১০ বছরের একটি শিশুকে তার বন্ধুরা বকছে এবং তাকে মারার হূমকী দিচ্ছে।  তাদের অভিযোগ ছেলেটি মন্দির হতে আরতির জন্য একটি পাজেল লুকিয়ে রেখেছে। ছেলেটির মা এসে সবাইকে বলে ' ও যদি নিয়ে থাকে তো নিয়েছে, ফেরত দেতে বলেছ তাই যথেষ্ট,  কিন্তু তোরা মারার কে। তোদের যদি পাজল কম হয়, কমিটির লোকদের বল, প্রয়োজনে কিনে দিবে"। কিছুক্ষণ পরেই ছেলেটির মা ছেলেটিকে একা ডেকে বলে, " মন্দিরের জিনিস তোর একার না, তা সবার,  ভবিষ্যতে ঠাকুর না দিলে মন্দিরের কোন কিছু বাড়ি নিবি না"।  কয়েকজন মায়ের সামনে একজন মায়ের রায়ে সকলেই চুপ। শুধু ধমক বা শাস্তি নয়,  সহযোদ্ধাদের মধ্যে চিরতরে হেয় করা নয় বরং অন্যায় নিরুৎসিহিত করণ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা,  ইজ্জত রক্ষা ও পারস্পরিক সুসম্পর্ক নিশ্চিত করনও সুবিচারের অংশ।  তাইতো দ্বিধা দন্দ ভুলে সবাই একত্রে অগ্নি হাতে আরুতিতে অংশগ্রহন।  তবে পালের ভাষ্যমতে অশুরের সংখ্যা বেড়েছে। আবার ধরনও বদলাচ্ছে।  যে অশুরের দিকে মায়ের তীর তাক করা তা নাকি মূল অশুর, তাকে নাকি চিরতরে বিনাশ করা যায় না। তাকে জব্দ করে রাখতে হয়। যে মা তার সন্তানকে সময়মত পোশাক পরিয়ে, আশির্বাদ দিয়ে স্কুলে পাঠায়, তার সন্তান আর যে মা স্কুলের সময়ে সন্তানকে শাসায় "এই ছ্যামরা স্কুলে যাও না ক্যান, তাড়াতাড়ি ঐবাড়ির বাজার দিয়া স্কুলে যা" তার সন্তান কি সমান ভাগ্যবান! ২য় সন্তানটিকে সমাজের অজ্ঞতার অশুরগুলো চিরকাল সুযোগ নিয়ে বলার চেস্টা করতেই পারে " এই ছ্যামরা,  ঐটা নিয়ে আয়, এটা নিয়ে যা, এটা কর, ওটা না......... ইত্যাদি ইত্যাদি। ভগবদগীতা সাধারনের কাছে কতটুকু স্পস্ট তা বলা কঠিন তবে এমন কিছু নাকি বলা হয়েছে " এই জগতে মানুষ সকাম কর্মের সিদ্ধি কামনা করে এবং তাই তারা বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করে। সকাম কর্মের ফল অতি শিঘ্রই লাভ হয়।----------কোন কর্ম আমাকে প্রভাবিত করতে পারে না এবং আমিও কোন কর্ম ফলের আকাঙ্খা করি না। আমার এই তত্ত যিনি জানেন তিনি কখনও সকাম কর্মের বন্ধনে আবদ্ধ হন না।" তবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছিলেন" হে অর্জুন যিনি আমার এই প্রকার দিব্য জন্ম এবং কর্ম যথাযথ ভাবে জানেন তাকে আর দেহ ত্যাগ করার পরে পুনরায় জন্ম গ্রহন করতে হয় না এবং তিনি আমার নিত্য ধাম লাভ করেন।"
দেবীর পূঁজ হয় সর্বত্রই একই রীতিতে, কিন্তু সবাই কি ভগবানের সাথে ধর্মের সংস্থাপন উপলব্ধি করতে পারে।  একই খাদ্য, একই ফল ধনী-গরীব,  উচু-নীচ সবাই ভোগ করে তবে পার্থক্য হতে পারে পরিচ্ছন্নতায়। যা কিনা গরীবের মাঝেও বিদ্যমান থাকতে পারে আবার অনেক ধনীদের মাঝেও অনুপস্থিত থাকতে পারে। এর মধ্যেই নাকি বিশ্বাসের পরিচয় মেলে। ধনী -গরীব,  রাজা -প্রজা সবাই সব সমাজে সাধ্য মত পুজার আয়োজন করে  -সোনা-রূপার গহনায় মোড়া হোক বা না হোক প্রতিমার চিন্ময়ী রূপ সর্বত্র।ভগবান সর্বত্র বিরাজমান কিন্তু কোথাও অাবদ্ধ নয়। তার চিন্ময়ী রূপ সবাই কি উপলবদ্ধি করতে পারেন।
 "হে অর্জুন যিনি আমার এই প্রকার দিব্য জন্ম এবং কর্ম যথাযথ ভাবে জানেন তাকে আর দেহ ত্যাগ করার পরে পুনরায় জন্মগ্রহন করতে হয় না। তিনি আমার নিত্য ধাম লাভ করেন। "
"অাসক্তি ভয় ক্রোধ থেকে মুক্ত হয়ে সম্পন্নরূপে অামাতে মগ্ন হয়ে, একান্ত ভাবে অামার অাশ্রিত হয়ে,  পূর্বে বহু বহু ব্যক্তি অামার জ্ঞান লাভ করে পবিত্র হয়েছে এবং সেই ভাবে সকলেই অামার চিন্ময় প্রীতি লাভ করিয়াছে।"
যে যে ভাবে আমার প্রতি অাত্ম সমর্পণ করে, প্রপত্তি স্বীকার করে আমি তাকে সেই ভাবেই পুরুস্কৃত করি। হে পার্থ সকলেই সর্বতভাবে অমার অনুসরণ কর।"
অর্থাৎ ' যখনই ধর্মের অধ:পতন হয় আর অধর্মের অভুথ্যন ঘটে তখনই ভগবান নিজের প্রকাশ ঘটিয়ে অাবির্ভুত হন সাধুদের  পরিত্রাণ করার জন্য, দুস্কৃতকারীদের বিনাশ করার জন্য আর ধর্মে সংস্থ্পনের জন্য। তাই তো শ্রীবন্তীর অন্তরের আশা পূর্ণ হল। শিশু শ্রাবন্তীরা মায়ের উপর অাস্থা রেখে বছর পার করে যেন আশা পূর্ণ করলো। মায়ের চরণে উচ্ছাসিত হৃদয়ে প্রিয় মানুষটিকে কাছে পাবার আহবান। সে জানে মা তার দাবী মঞ্জুর করেছ।  কিছুটা অস্থিরতায় মায়ের উপর আস্থা নিয়ে অপেক্ষার প্রহর।নিজের অজান্তেই সে প্রিয় মানুষের বুক ছুঁয়ে যায়, নিজেকে খুজেঁ পায় প্রিয় মানুষের চোখে। কিন্তু সমাজ জটিলতার অশুর বাধা হয়ে দাড়ায়, থাকে কিছু অনাহূত জীব অশুর রূপে। কিন্তু  শ্রাবন্তীরা জানে জগত মাতা যে আশা মঞ্জুর করে তা অপূর্ণ  থাকে না। কিন্তু সমাজের জটিলতা আর অশুরের বাধা অতিক্রম করে কে তাকে উপহার দেবে অন্তরের মানুষটি। মা কি তাদের জন্য কোন বাহন বা দেবতাকে রেখে যাচ্ছেন? নাকি, ---------জগতের সকল মাতা আর তাদের সন্তানরা যদি জগত মাতার মত নির্ভুল হয় তবেই শ্রাবন্তীদের আশা পূর্ণ হয়।
Rasal Hasan Lia.  October 20, 2017


যার কোন জন্ম নাই, যা জন্ম হয়নি, যার কোন উৎপত্তি নাই,  যার কোন শুরু নাই তার অস্তিত্ব থাকে কিভাবে? যারা মনে করেন তাদের আল্লাহ বা ঈশ্বরের কোন উৎপত্তি নাই, শুরু নাই এবং জন্মগ্রহন করে নি -তাদের বোঝা উচিত তাদের কল্পিত বা তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া আল্লাহ -এর ধারনাটা ভুল।

অাসলে আমাদের বিবেক এবং যা কিছু সঠিক ও ভালো তাতেই সৃস্টিকর্তা,  ভগবান বা বিধাতা বিরাজমান এবং যা কিছু খারাপ - অন্যায় তাতে অশুর বা শয়তানের প্রভাব বিরাজমান।


Durga Puja 2017/ দুর্গা পুজা ২০১৭
মা' অশুর যেন না হয় তোমার কোন সন্তান

বিগত বছর যাদের দেখা গেল অন্যের হাত ধরে মন্দিরে এসে কপল ঠেকছে, এবার তাদের অনেকেই একা একা ছুটে এসে প্রণাম করছে মন্দিরে। তবে তাদের মধ্যে মেয়েদের থেকে ছেলেদের সংখ্যা অনেক বেশী। মেয়েরা অাসে দলবদ্ধ ভাবে। ছেলে-মে সবাই জগত মাতার অাগমনে দিনক্ষণ হিসাব করে অানন্দে মেতে উঠার অপেক্ষায়।
অনেকে খুব সহজ মনে করেন,  অানন্দে মেতে থাকেন পুজার দিন গুলোতে। কিন্তু ছোট্ট নয়নের তদারকি প্রায় কয়েক পক্ষকাল ব্যাপী।  জগত মাতার অাগমন ঘটবে নৌকায় করে। পাল মশাইরা কবে অাসবেন -এবার প্রতিমা হতে হবে সব থেকে সুন্দর। পাল মশাইর অাগমনের পরেই কেবল একটু স্বস্তির প্রকাশ। সে সঙ্গী সাথীদের ডেকে অানে- পুজার অনন্দে মেতে উঠে। পাল মশাইদের যেন কোন কষ্ট না হয় সে দিকে তার সজাগ দৃষ্টি,  সাথে সাথে প্রতিমা সুন্দর করার নানা অাবদার। ব্রাম্মণ পরিবারের এই বালকের ভক্তি-শ্রদ্ধা, জ্ঞান, তদারকি ও বিচারিক রায় যেন অনেক মুরুব্বিদের হার মানায়। খড়খুটো দিয়ে অাকৃতি প্রদান অার মাটির প্রলেপে প্রলেপে দিনের পরে দিন দেহের সমস্ত কারুকাজ যেন প্রকাশ পেতে থাকে। কয়েকটি দিনের মধ্যেই যেন জটিল মানব সমাজের জীবন্ত রূপ ফুটে উঠে। গতবার অশুরের সংখ্যা বেশি ছিল। এবার অশুরের সংখ্যা কম। মাত্র দু'টি। একটি অশুর জলন্ত অগ্নিতে পুরে মরছে- জগত মাতার কাছে ক্ষমা প্রার্থণায়রত। তবে অশুর বহনকারী জানোয়ারটির পরিণতি একেবারেই বিভৎস। সমাজের মানুষাকৃতির মহিষ গগুলোরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অশুর শক্তির প্রশ্রয়দাতাগুলো যেন অশুরের পায়ের তলেই পৃষ্ঠ হয়ে যায়। মহাশাশুরটি চিরাচরিত নিয়মে শেষ চেস্টা করে যাচ্ছে তার শক্তি প্রদর্শণে- যেনে জগত শ্রেষ্ঠা মা'কেই উপড়ে ফেলতে চায়। লোভের তাড়না,  ক্ষমতা অার শক্তির দাপটে তারা ভুলে যায় জগত মাতার অাগমন ঘটবে তাকে জব্দ করতে। জগতে যা কিছু অাছে তা সবই মা'য়ের সৃস্টি, তিনিই সব কিছুর প্রান দান করেছেন। অাকাশ যার পিতা, সাগর যার মাতা,  জগতের সকল সৃস্টি যার প্রজা তিনিই মা দুর্গা- মর্তে এসেছেন মহা শক্তি নিয়ে অশুর নামের দুষ্টু সৃস্টির হাত থেকে সমাজের নিরীহ সন্তানদের রক্ষা করতে। মহামানবতুল্য ধৈর্য, শান্তি, ন্যায় বিচারের কান্ডারী বৃদ্ধ ঠাকুর ক্রূক্ষেত্রের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ সেসময় প্রাণ হারায়, ভগবানের নিয়মেই অশুরগুলো পরস্পরবিরোধী সংঘর্ষে ধংস্ব হয়ে যায়। অশুরকূলে একটি অশুর ভগবানের অাশির্বাদ পুষ্ঠ। জগত মা'ছাড়া তাকে কেউ বধ করতে পারবে না। তাই অামরা মায়ের অারাধনা করি। একারনেই অামরা মা'য়ের কাছে মিনতি করি ' ব্রম্মা, শিব, বিষ্ঞু সহ জগতের সকল শক্তির অধিকারিণী মা'দুর্গা - তুমি অামাদের উদ্ধার কর'। কিন্তু তার মানে এই না যে শান্তি প্রিয় মানব সন্তানদের বিবেক থেমে থাকবে, অশুরের হাতে অশুর ধংস্ব হবে- ধংস্ব হোক।  তার মানে এই না যে যুদ্ধের দেবতা কার্তিকের অস্ত্র থেমে থাকবে। অন্যায়-অত্যাচারে অামরা যেন মায়ের অস্ত্র হয়ে অসহায়দের পাশে থেকে অশুর শক্তিকে পরাজিত করে রাখতে পারি। অামরা মা'য়ের সন্তানরা কেহ মহিষ না হই।
   জগত প্রকৃতির সবকিছুই মানবতার পক্ষে মায়ের সাথে অশুর নিধনে মেতে উঠবে -শিশু শ্রাবন্তিদের বিশ্বাস রক্ষায়। ইদুরের পিঠে শুভসূচনার দেবতা গণেশ, হাঁসের পিঠে জ্ঞান, বুদ্ধি, মানব সংস্কৃতি আর শিক্ষা দেবী সরস্বতী,  ময়ূরের পিঠে সুরক্ষিত যুদ্ধ দেবতা কার্তিক, শ্রুতিমধুর প্যাচার পিঠে শান্তি সমৃদ্ধি মঙ্গলের লক্ষী দেবীও প্রস্তুত। পাল মশাইর ভাষ্যমতে মহদেব- ধংস্বের দেবতা শিব স্বয়ং বুঝি মর্তে নেমে অাসবেন অশুর দমনে। ভয়ংকর সিংহ অশুরের কাধে চেপে বসেছে, সাপ ছোবল দিলো বুঝি, করুণাময়ী মা'য়ের ত্রিশূল অাঘাত হনেছে অশুরের বুকে,   তবু সে ন্যায়-বিচার আর মানবতার পথে অাসতে নারাজ। সমাজের বাস্তব রূপই ফুটে উঠে ঐ পুজা মন্ডবে। তা যেন কেবল উৎসবের বিষয় না হয়ে। তা যেন শিক্ষা দিতে পারে। তা না হলে ঐ প্রতীকী উৎসব বাস্তবে মঞ্চস্থ করার তাগিদ সৃস্টি হয় - সমাজের অশুরটা চিহ্নিত করে যন্ত্রণার অগ্নিতে নিক্ষেপ করুন, ধংন্ব করুন- অাপনি মহাদেব ভগবান। হিন্দু একটি স্থান ভিত্তিক মানব জাতির পরিচয় অার তাদের সনাতন ধর্ম হিন্দুদের ধর্ম বা হিন্দু ধর্ম হিসাবে পরিচিত। কাজেই এই সমাজের সকলেরই শিক্ষা গ্রহন করা উচিৎ যেন কেউ অশুরকে প্রশ্রয় না দেন আর বাস্তবে পুজা মন্ডবের ঐ অশুর দমনের তাগিদ সৃস্টি না হয়। তবে অশুর গুলো ভুলে যায়, নাকি লজ্জা অনুভব করে, নাকি তা তাদের জন্মগত স্বভাব মাবতার কাছে নত না হওয়া।  তা যাই হোক, অশুর শক্তি যারা প্রশ্রয় দেয়, যারা অন্তরে বহন করে সমাজে তাদের পরিণতি যেন হয় ঐ মহিষটির মত।





Sunday, October 1, 2017

Ideas

Your opinion can contribute to bring the ideas in implementation.

কিছু ঐতিহাসিক ব্যক্তির নাম বলুন যারা মাতৃদুগ্ধ পান করেন নি বা জন্ম থেকে মা কে হরিয়েছেন।

মাতৃদুগ্ধ পান না করা মানুষ জীবনে অধিকতর বিচক্ষণ,  সুস্থ, অাস্থাভাজন, সফল ও বিখ্যাত হয়। নবী- রসুল,  দেবতাসহ অনেক বিখ্যাত দার্শনিক,  নেতা,  বিজ্ঞানীরা মাতৃদুগ্ধ পান করেনি।  যাদের জানা অাছে তারা সেরকম ব্যক্তিদের একটা তালিকা করতে সাহায্য করতে পারেন। অাপনার প্রতিবেশীদের মধ্য থেকেও তাদের মানসিক ও শারিরিক বিষয়ে জানাতে পারেন।
People who didn't take mother's breastmilk are more intelligent and possess better mental and physical health. Prophets, Devas and historically great persons are the examples. It seeks statistical data and the knowledge from from observation in nearby localities to know the percentage of great persons,  philosophers, leaders, prophets and devas.
Postpartum care for the new babies - detachment from mothers.
https://challenges.openideo.com/challenge/new-life/feedback/postpartum-care-for-the-babies

জীবনের প্রথম গর্ভধারণ থেকেই যেন নারী তার গর্ভজাত সন্তান জন্মদেবার অধিকার রক্ষা করতে পারেন। বলতে গেলে সকল মা' ই প্রথম গর্ভধারণের সন্তান রক্ষা করতে না পেরে জীবনভর অসুস্থ বা কোন একটা শূণ্যতায় ভোগেন।

All most all mothers bear temptations failing to give birth of their first conception. This is to protect the mother's right from the first conception to give birth.
https://challenges.openideo.com/challenge/new-life/feedback/guardian-to-protect-the-first-conception-of-girls
একটু প্রশিক্ষণ আর সামান্য একটু জ্ঞানের বিস্তার প্রসূতি মৃত্যু হার অনেকাংশে কমিয়ে অানতে পারে।
Training to midwives on using condom to save lives.
https://challenges.openideo.com/challenge/new-life/feedback/save-the-life

openideo page comment করুন

Wednesday, August 2, 2017

Wrong Allah/ভুল অাল্লাহ

That has no birth, no starting,  no beginning reasonably has no existence yet.

Those who yet believe that their Allah or God didn't born and had no starting or beginning should understand that their imagined Allah or pre imposed concept of Allah is worng.


Our sense of responsibility -everything good and perfect represents His existence. And everything bad and wrong has devil's influence. 

যার জন্ম নাই, শুরু নাই তার অস্তিত্ব কোথায়?

এখনও অনেক মনে করেন যে তাদের অাল্লাহর কোন জন্ম নাই, তা জন্ম হয়নি, তার কোন শুরু নাই, তার কোন উৎপত্তি নাই তাদের বোঝা উচিৎ তাদের কল্পিত আল্লাহ বা তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া আল্লার ধারনা সঠিক নয়।

কারণ,  তাদের ভাষ্য মতে, তার কোন শুরু নাই, কোন জন্ম নাই, অর্থাৎ এখনো শুরুই হয়নি।

(If the above comment is perceived as an attack on the religious sentimentof Muslims, if that could be a reason to torture and jail the person, they should understand that the first and prime speech of Muslims,  the Kalema denies the existence of all Gods/Devtas/Deities  except that of Muslims.  Isn't the Kalema an attack on the religious sentiments of all human beings except the Muslims?
উপরের মন্তব্যটা যদি ধর্মীয় অনুভুতিতে অাঘাত হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং তা যদি মন্ব্যকারীকে নির্যাতন ও জেলে দেবার কারণ হতে পারে তাহলে তাদের বুঝা উচিৎ যে মুসলমানদের প্রথম এবং মূল কথা,  কলেমা মুসলমান ভিন্ন অন্য সকল ধর্মের ঈশ্বরদের অস্বীকার করে। কাজেই, কলেমা কি মুসলমান ভিন্ন অন্য সকল মানুষের ধর্মীয় অনুভুতির উপর অাঘাত নয়?) 

Friday, June 16, 2017

Law, Religion, Child Marriage and Honesty


Honesty and your religion

! What do you think about Child Marriage!
! Is that prohibited or the registration is!
! Does the law controls the relationship between men and women or the sense, justification, emotion and attitude to sin and sanctity!
! If there's no claimant what's the rightness to break marriage bondage!
! Marriage is easy to break and stop, but what about the sinful relations without marriage!
! Who are being accountable for protecting the girls of weak families from exploitation, and dependency for accommodation!
! The men who respect law can go to court to stop marriage if their beloved is about to face forced marriage somewhere else, but who is responsible for protecting the girl from sinful realities till she legally get mature! 
! How the opinion and the right of the girls being honored! 
! What actually mean by Solemn! -physically unsound or respectful person for patience and respect to law, sanctity and humanrights! 
! What they get from the religion and society who respect law, religions, and avoid to entice and exploit!
  
If the children are asked :
 Do you favor child marriage? They reply :no
 Do you favor dishonesty? ------- of course not. 
 Do you like to cede your religion? ---no
 Are you truly able to chaste until you legally matured and get married? They remain silent. 
 
In fact, it's better to cede the existing religion and seek a valid one than becoming dishonest.
 
https://liaisle.blogspot.com/2016/04/no-more-delay-to-change-by-rasal-hasan.html
https://liaisle.blogspot.com/2015/06/brief-story-from-diary.html
www.facebook.com/rasal.lia

Thursday, September 22, 2016

ভালবাসা একটু দূরে

ভালবাসা একটু দূরে
এখানে সেখানে, কোন গাছের ডালে
বৃস্টি ভেজা দুয়ারে,
উঠনে উঠনে কলের চাপে,
লেবুর বনে গাছের তলে
তাল টোকানোর সুখে;
সমুদ্রের ঢেউয়ে ঢেউয়ে
কাপতাই লেকের ঢালে, নাকি ওপারে,
যেতে হবে হিমছরির বাঁকে, না-
পেরুতে হবে সেন্টমার্টিনের দেশে
চরে চরে শৈবালের মাঝে
যেতে হবে ঘরে;  অন্তরের মাঝে?
কৈ দেখিনা তো তারে।
ভালোবাসা একটু দুরে, খুঁজে  মরি ভর দুপুরে।
ভালবাসা একটু দূরে, সামনে নাকি পিছনে
কান্না হাসি ক্ষণে ক্ষণে, দেয়ালের ওপাশে
কাঁদা ছোড়ে বুকে, বিড়ালের বেশে
লাগেনি তো অন্তরে।   
ভালবাসা একটু দূরে, সাতার কাটে আমায় দেখে
উজানে উজানে, পিছু নেয় পথের মাঝে
দীঘির কোনে একটা ডুবে।
ভালবাসা একটু দূরে,  রক্ত রাঙা
ছাতার তলে -মেয়টির ডাকে,
পথের মাঝে কান্না হাসি, চিৎকারে চিৎকারে।
ভালবাসা একটু দূরে,
            -ছুটে ছুটে আকড়ে ধরে তার বুকে
ভালবাসা পায়নি বলে।
ভালবাসা একটু দূরে, কোথায় যেন আছে লুকিয়ে
ঘুমের মাঝে বুকের পরে
ঠুক টুকিয়ে আমায় ডাকে।
ভালবাসা একটু দূরে,
       -পানসে শশার মাঝে - একটুকরা কামরাঙ্গার ঝাজে।

Saturday, September 17, 2016

What religion they pertain to?

Can their religion ensure honesty?  Think: Child Marriage Vs Illicit screwing And their religion,  honesty and  respect to laws.

Child Marriage(before)  : Illicit screwing = Religion : Dishonesty

breaking law/religion + dishonesty /religion : Child marriage/chastity + illicit screwing/chastity

 religion= chastity+ceding religion( may be for new ones)-NR

[ceding religion  →o%, NR →o%]

prevailing religion =?

As, religion+ill = chastity+ceding religion( may be for new ones)-NR
[Ill expected →o]

What religion taught?  What the Muslims do?

 Prefer  from chastity or ceding religion, not from becoming dishonest or ill religion. 

Sunday, August 14, 2016

যুগ যুগ ধরে চলে আসা মানুষের শাসন অনুশাসন, কৌশল, সংর্স্কৃতি, রীতি নীতি আচরন, প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি যেমন ধরুন শরীরে বাধা তাগা, তাবিজ. মালা, লকেট, আংটি, শাখা সীল.টাট্ট ইত্যাদি অনেক কিছুকে যারা কূসংস্কার ও পরিত্যায্য বলে এবং উপহাস করে তারা অনেক অনিষ্ঠেঁর কারন হতে পারে| আসলে অল্প শিক্ষা এবং উপলব্ধিহীন অল্প শিক্ষা কিংবা কূশিক্ষা পরিত্যয্য| ধরুন, অপরিচিত কোন স্থানে কোন একজন জংলি কিংবা আধুনিক বাহীনির দ্বারা মৃত্যুর সম্মূখীন| এক্ষেত্রে অতীতে তার পিঠে আকা কোন চিহ্ন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে এবং তার জীবন বাঁচাতে পারে।  ২| পূবে যেমনটা বলা, মেয়ে শিশুদের হাতের চুরি, পায়ের মল,ঝুমকা , নাক গলা কানের অলংকার শুধু সৌর্ন্দয বা দাসত্বের প্রতীক নয়| ওগুলো তাদের রক্ষাকবজ, চরিত্রের রক্ষাকবজও বটে - বিশেষ করে অবুঝ বয়সে| যে কারনে গরুর গলায় ঘন্টা ঝুলায়, বাঘের গলায় না হলেও চলে| সাপ কিংবা চোরে দুগ্ধপান বা চুরী করতে এলে ঐ ঘন্টাই রক্ষাকবজ হিসাবে কাজ করে, এবং গৃহস্থের ঘুম ভাঙ্গাতে পারে। ৩| অর্থাৎ সামান্য একটা ফিতা কিংবা তাগাও তালিসমান হতে পারে এবং এটা প্রকাশ করতে পারে যে মানুষটি বিশেষ কোন সম্প্রদায় বা গোষ্ঠির সাথে যুক্ত অর্থাৎ বন্য প্রানী বা ছাড়া গরুর মত নয়।

Sunday, May 29, 2016

ওদেরকে বলি সত্য কি মিথ্যা, ন্যায় কি অন্যায়,  কার্যকরী কি অকার্যকরী তা বিবেচনা করার সুযোগ তোমাদের ধর্ম তো দেয়নি। মস্তিস্কের বিকাশ কিংবা যাচাই বাছাই করার ক্ষমতা অর্জনের পূবেই তোমরা তোমাদের সন্তানদের উপর বাধ্যতামূলক বিশ্বাস-চির সত্য, নির্ভুল, বাধ্যতামূলক বলে চাপিয়ে দাও। যা মানুষকে অবমূল্যায়ন করে ও মস্তিসক নিস্ক্রয় করে।  সত্য এবং ১০০% কথাটা আমি বিশ্বাস করতে বাধ্য নই। পড়বার ও বুঝবার পূর্বেই তোমরা তোমাদের শিশুদের মস্তিস্কে যদি বিশ্ব্াসের নামে বাধ্যতামূলক তথ্য সেট করে দাও যে এটি সঠিক এবং ১০০% তাহলে তাদের মানুষ্য জ্ঞানের চর্চা ও আত্মমর্যাদা বোধ এবং সসৃস্টিকর্তার অস্তিত্ব অনুধাবন এবং তার সাথে যোগসূত্র ততটুকু থাকে তা অনুধাবনের জ্ঞানটুকুও হয়ত তোমাদের পূবপুরুষরা তালাবন্ধ করে রেখেছেন। আসলে একটা ডিগ্রেস। মানুষের বুলি আর কাগজী জ্ঞান বা তথ্য তাদের মস্তিস্ক মহান শক্তি হতে বিচ্ছিন্ন করে বস্তুর দিকে ফিরিয়ে রেখেছে।  সৃস্টিকর্তা আমাকে জানবার ও যাচাই করবার স্বাধীনতা দিয়েছে। তোমাদের সন্তানদের মধ্যে মস্তাস্ক বিকাশের পূবেই  তোমাদের দ্বারা প্রদত্ত অনুধাবনহীন তথ্যগুলো তোমাদের ধর্মীয় ব্যর্থতার জন্য দায়ী। না জেনে,  না বুঝে শুধু অন্যেদের কথার ভিত্তিতে কোন গ্রন্থকে ১০০%বলা কি ঠিক? প্রত্যেকটা মানুষকেই যাচাই করার সুযোগ দেয়া উচিত ছিল।


 It was told that your religion didn't give any discretion to judge whether your religion is right or wrong, logical or illogical, practical or impractical! Before the brain get maturity, before your children achieve the  capability of analyzing, judging and deciding, you impose mandetory religious belief - as a compulsory knowledge and duty to abide,  virtual truth, unquestionable fact. That obviously raise question about the dignity and honor of human beings and help to make their brain inactive.  I am not bound to accept and believe in your opinion 100%. Before the babies can read and understand, if you set some data or a mandetory program in the name of religious belief in their raw brain as that it is true and 100% -, how their brain and mind can function as the brain and mind of human intelligence, how the sense of dignity can survive,  how their realization of the existence of God and the connectivity can remain are difficult for you to perceive because your predecessors probably locked your brain.  The reality is that- it was a digress. Speeches and texts bring their mind concentration away from the great abstract power and put into a limit of materials. The Creator gives me freedom to know and decide. The data that is put by you without realization into the brain of children before their ability to learn, understand and analyze is liable for the failure of your religion. Without knowing and understanding,  should anyone opine about any book as, on the basis of anyone's speech,  100% ? Everyon was expected given the freedom to judge and decide 



ওরা সামনে এসে কাতেল করার কথা বলে। ওদের আসমানী কিতাবে নাকি কিছু একটা বলা হয়েছিল যার অর্থ তারা মনে করে ইসলামত্যাগকারীদের কাতেল করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। স্থান -কাল ভেদে কি সব কথার তাৎপর্য  একই থাকে? জন্মসূত্রে প্রাপ্ত ধর্ম ত্যাগ আর বুঝা শুনে কোন ধর্ম গ্রহন করে তা ত্যাগ করা এক বিষয় নয়। যারা ধর্ম পরিবর্তন বা নতুন ধর্ম গ্রহণ করেন তাদের বিষয়ে একটা বিশ্বাস বা চুক্তি থাকে যে তারা পরিপূর্ণ ভাবে বুঝে সত্য বিশ্বাস স্থাপন করে সত্য ধর্ম গ্রহন করল। কাজেই তারা যদি আবার ধর্ম ত্যাগ করে তবে তারা চুক্তি ভঙ্গ করল,  বিশ্বাস ভঙ্গ করল, তারা ভয়ংকর রকম নোংরা অপরাধী - মৃত্যুদন্ড অন্যায্য নয়। কিন্তু জন্মসূত্রে প্রাপ্ত ধর্ম নিজ জ্ঞানে অবশ্যই সকলের প্রত্যাখ্যান বা ত্যাগ করার বা নতুন ধর্ম গ্রহন করার অধিকার রয়েছে।  এ অধিকার হরণ করার ক্ষমতা সৃস্টিকর্তা কাউকে দিয়ে থাকেন বলে মনে হয় না

--they come for slaughtering,  they talk such that they have summons.  Something was given in their scriptures that they meant as an urge to slaughter who cede their Islam.  Do the meaning remain same all the time everywhere? To defy the by-born imposed religion and to defy a well understood accepted proselytism are not same. Implicit contract and faith exist for the proselyters that they change or accept true religion after they know completely and set belief on a true religion.  So, if they cede again, they actually breach and in fact dirty sinful betrayals- death sentence is not an excess.  But everyone has the right to judge and defy or cede the parental or by-born imposed religion and to accept another.  No reason to believe that the God delegates power on anyone to kill the right of choosing religion.